ফণ্ট ডাউনলোড
নীড় আয়োজন অন্যান্য আয়োজন প্রকাশনা অনুষ্ঠান: তিন প্রহরের রাগ

প্রকাশনা অনুষ্ঠান: তিন প্রহরের রাগ

  • ১১ মাঘ ১৪২১, ২৪ জানুয়ারি ২০১৫ বিকেল ৪:০০
  • ১১ মাঘ ১৪২১, ২৪ জানুয়ারি ২০১৫
  • রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্র, ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন

১১ মাঘ ১৪২১, ২৪ জানুয়ারি ২০১৫, শনিবার। ছায়ানট প্রকাশ করেছে শুদ্ধসঙ্গীতের ধ্বনিমুদ্রিকা (অডিও সিডি), ‘তিন প্রহরের রাগ’। দেশের সঙ্গীতগুণী অমরেশ রায়চৌধুরীর লিখিত আশীর্বচনের পর তাঁর পক্ষে ধ্বনিমুদ্রিকার মোড়ক উন্মোচন করেন ছায়ানট সভাপতি সন্‌জীদা খাতুন। ধ্বনিমুদ্রিকাটি প্রকাশে সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে গ্রামীণফোন। ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেহালায় শুদ্ধসঙ্গীত বাজিয়ে শোনান শিউলী ভট্টাচার্যী। স্বাগত ভাষণ দিয়েছেন ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আনাম শাকিল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সন্‌জীদা খাতুন।

গ্রামীণফোনের সহায়তায় এটি ছায়ানটের একটি শুদ্ধসঙ্গীত সাধনার পরিচয় তুলে ধরার উদ্যোগ। ছায়ানটের এ ধরণের প্রথম উপস্থাপনে নির্বাচন করা হয়েছে তিনটি প্রহরের রাগ। প্রাচীন কাল থেকেই ভারতবর্ষের সংস্কৃতিতে একটি দিনকে আটটি ভাগে ভাগ করা হয়ে আসছে। প্রহর নামে চিহ্নিত করা হচ্ছে তিন ঘণ্টার প্রতিটি ভাগকে। দিন শুরু হয় ভোর ৬টা থেকে। সঙ্গীতজগত্ ও সেই ধারার অনুসারী। গানের মেজাজ অনুযায়ী সঙ্গীতগুরুরা বিভিন্ন সময়ের পরিবেশ-প্রতিবেশের উপযোগী করে দেখে আসছেন প্রতিটি রাগকে। প্রহর অনুযায়ী হয়েছে রাগবিন্যাস। তবে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সঙ্গেও মানিয়ে পরিবেশন করা হয়ে থাকে রাগসঙ্গীত বা শুদ্ধসঙ্গীত। চলন অনুযায়ী বিশেষ বিশেষ প্রহরের রাগ হিসেবেই বিশিষ্ট বা পরিচিত আমাদের শুদ্ধসঙ্গীত।

‘তিন প্রহরের রাগ’ ধ্বনিমুদ্রিকায় উপস্থাপিত হয়েছে তিনটি পরিবেশনা। রেজোয়ান আলী গেয়েছেন দিবা দ্বিতীয় প্রহরে পরিবেশনযোগ্য শান্ত সুন্দর প্রকৃতির রাগ গুর্জরী টোড়ি। প্রিয়াঙ্কা গোপ পরিবেশন করেছেন দিবা অন্তিম প্রহরের আবেগ ঘন ভালোবাসামণ্ডিত নান্দনিক রাগ মধুবন্তী। অসিত দে পরিবেশিত বেহাগ রাত্রি দ্বিতীয় প্রহরের শ্রুতিমধুর বহুল প্রচলিত রাগ।

আয়োজন সবগুলো..

২৮ আশ্বিন, ১৩ অক্টোবর
শ্রোতার আসর: আশ্বিন ১৪২৪
২৬ কার্তিক, ১০ নভেম্বর
নৃত্য-উৎসব ১৪২৪