শুদ্ধসঙ্গীত উৎসব ১৪৩২
শুরু হয়েছে ছায়ানটের দুইদিনব্যাপী শুদ্ধসঙ্গীত উৎসব। ২৫ পৌষ ১৪৩২, ৯ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে জাতীয়সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে ছায়ানট মিলনায়তনে উৎসবের সূচনা হয়। এরপর কথা বলে ছায়ানটের সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী। পরিবেশন পর্ব শুরু হয় ৫টি রাগের সমাহারে মালকোষের মূর্ছনায় বৃন্দ কণ্ঠসঙ্গীত দিয়ে। এরপর পরিবেশিত হয়েছে একক কণ্ঠসঙ্গীত, দ্বৈত তবলাবাদন, সেতারবাদন, বাঁশিবাদন। প্রথম অধিবেশন এখনও চলছে।..
বিস্তারিত...
বিজয় উৎসব ২০২৫
১ পৌষ ১৪৩২, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ধানমণ্ডিস্থ আবাহনী মাঠে অনুষ্ঠিত হলো ছায়ানটের বিজয় উৎসব ২০২৫। বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটে জাতীয়সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন ছায়ানটের সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী, দীপ্ত টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, ছায়ানটের সহ-সভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল ও সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা। এবারের আয়োজনে ছিল ৫টি সম্মেলক নৃত্যগীত, ২টি সম্মেলক গান। একক গান পরিবেশন করেন চন্দনা মজুমদার এবং আবৃত্তি পরিবেশন করেন জয়ন্ত রায়। জাতীয়সঙ্গীত গাইবার মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।..
বিস্তারিত...
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ছায়ানটের নিবেদন, ২০২৫
২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, রবিবার ছায়ানট মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার একটু পরে শুরু হয় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ছায়ানটের নিবেদন। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সুমন মজুমদারের কণ্ঠে “মৃত্যু নাই নাই দুঃখ” গানের মধ্য দিয়ে। অনুষ্ঠানে কথা বলেন ছায়ানটের সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং অধ্যাপক অধ্যাপক মনসুর মূসা। কথনের ফাঁকে ফাঁকে গান পরিবেশন করেন অভয়া দত্ত, তাহমিদ ওয়াসিফ ঋভু এবং লাইসা আহমদ লিসা। এরপর বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল প্রযোজিত নাট্যাংশ 'যুদ্ধ এবং যুদ্ধ' পরিবেশিত হয়। সৈয়দ শামসুল হক রচিত মূল নাটক হতে নাট্যাংশ নির্মাণ করেছেন আসিফ মুনীর ও মিথুন মোস্তফা। “আমি মারের সাগর পাড়ি দেব” সম্মেলক গান ও জাতীয়সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে..
বিস্তারিত...
সঙ্গীত মানুষে মানুষে বিভেদ দূর করতে পারে
ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৮ নভেম্বর ২০২৫, শুক্রবার। সমাবর্তনে ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের ১৪২১ থেকে ১৪৩০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সমাপনী অভিজ্ঞানপত্র দেওয়া হয়। ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩১ জন সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন। সমাবর্তনের প্রধান অতিথি ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ফাহ্মিদা খাতুন। প্রধান অতিথিকে মঞ্চে নিয়ে আসেন সঙ্গীতবিদ্যায়তনের শুরু অর্থাৎ ১৯৬৩ সালে ভর্তি হয়ে ১৯৬৭ সালে উত্তীর্ণ দুই কৃতি শিক্ষার্থী সেলিনা মালেক চৌধুরী ও ইফ্ফাত আরা দেওয়ান। শিক্ষার্থীরা বাজাও তুমি কবি, নবীন আশা জাগল রে আজ ও এমন মানব জনম আর কি হবে এই তিনটি গেয়ে প্রধান অতিথিকে বরণ করে নেন।...
বিস্তারিত...
লোকসঙ্গীতানুষ্ঠান ১৪৩২
৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২১ নভেম্বর ২০২৫, শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হলো ছায়ানটের বার্ষিক লোকসঙ্গীতানুষ্ঠান। ছায়ানট মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সম্মেলক লালনগীতি “ও যার আপন খবর আপনার হয় না” পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হয় লালন সাইঁকে। তাঁর গান ছাড়াও পরিবেশিত হয় মনমোহন দত্ত, কামাল পাশা, জসীম উদ্দীন ও নীল কমল মিশ্র রচিত গান।..
বিস্তারিত...
শ্রোতার আসর: কার্তিক ১৪৩২
৮ কার্তিক ১৪৩২, ২৪ অক্টোবর ২০২৫, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ছায়ানটের শ্রোতার আসর। ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে এই আসরে পরিবেশিত হয় শুদ্ধসঙ্গীত। প্রথমে কণ্ঠে রাগ ভীমপলশ্রী পরিবেশন করেন দীপা মন্ডল। এরপর রাগ শুদ্ধ কল্যাণ পরিবেশন করেন ঊষসী নাগ। সবশেষে তবলাবাদন পরিবেশন করেন কুমার প্রতিবিম্ব। সকলের জন্য উন্মুক্ত এই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয় ছায়ানটের ফেইসুবক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।..
বিস্তারিত...
শরৎ প্রাতে অরুণ আলো - ছায়ানটের শরতের অনুষ্ঠান ১৪৩২
২৬ আশ্বিন ১৪৩২, ১১ অক্টোবর ২০২৫, শনিবার সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো ছায়ানটের শরতের অনুষ্ঠান। সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের সাথে যৌথ এই আয়োজন শুরু হয় সকাল সাড়ে ৭টায়। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে একক ও সম্মেলক গান এবং বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা। সম্মেলক গানের সাথে ছায়ানটের শিশুরা নৃত্য পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথের নাটক ‘শারদোৎসব’; অভিনয়ে নালন্দা উচ্চ বিদ্যালয় এবং গান ও নৃত্যে ছায়ানট।..
বিস্তারিত...
বর্ষবরণ ১৪৩২
১ বৈশাখ ১৪৩২, ১৪ এপ্রিল ২০২৫, সোমবার। ভোরের আলো ফুটতে ফুটতে ভৈরবীতে রাগালাপ দিয়ে ছায়ানটের ১৪৩২ বঙ্গাব্দবরণের সূচনা হলো। ছায়ানটের এবারের বার্তা, আমার মুক্তি আলোয় আলোয়। যথারীতি অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে নতুন আলো, প্রকৃতি এবং মানুষকে ভালোবাসবার গান, দেশপ্রেম-মানবপ্রেম আর আত্মবোধন-জাগরণের সুরবাণী দিয়ে। সব মিলিয়ে বাঙালি সমাজকে নিয়ে আলোর পথে মুক্তির পথযাত্রী হবার আহ্বান। এবারের অনুষ্ঠানসজ্জায় অন্তর্ভুক্ত ছিল ৯টি সম্মেলক ও ১২ টি একক গান এবং ৩টি পাঠ। সবমিলিয়ে দেড়শতাধিক শিল্পী এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন।..
বিস্তারিত...