সব একসাথে

সঙ্গীত মানুষে মানুষে বিভেদ দূর করতে পারে

সঙ্গীত মানুষে মানুষে বিভেদ দূর করতে পারে
প্রকাশকাল: ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২/ ২৯ নভেম্বর ২০২৫ / হালনাগাদ: ২৪ পৌষ ১৪৩২/ ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৮ নভেম্বর ২০২৫, শুক্রবার। সমাবর্তনে ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের ১৪২১ থেকে ১৪৩০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সমাপনী অভিজ্ঞানপত্র দেওয়া হয়। ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩১ জন সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন।
সমাবর্তনের প্রধান অতিথি ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ফাহ্‌মিদা খাতুন। প্রধান অতিথিকে মঞ্চে নিয়ে আসেন সঙ্গীতবিদ্যায়তনের শুরু অর্থাৎ ১৯৬৩ সালে ভর্তি হয়ে ১৯৬৭ সালে উত্তীর্ণ দুই কৃতি শিক্ষার্থী সেলিনা মালেক চৌধুরী ও ইফ্‌ফাত আরা দেওয়ান। শিক্ষার্থীরা বাজাও তুমি কবি, নবীন আশা জাগল রে আজ ও এমন মানব জনম আর কি হবে এই তিনটি গেয়ে প্রধান অতিথিকে বরণ করে নেন।
শুরুতে ছিল সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসার স্বাগত সম্ভাষণ। প্রধান অতিথি ফাহ্‌মিদা খাতুনের উপর একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপনের পর তিনি সমাবর্তন ভাষণ দেন। বলেন, আমরা অনেক বাধা অতিক্রম করে সঙ্গীত শিক্ষা করেছি। বর্তমান প্রজন্ম অত্যন্ত ভাগ্যবান তারা জীবনের শুরুতে ছায়ানটের মতো একচি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে। সভাপতির ভাষণে সারওয়ার আলী বলেন, এখন যে ভূমিকম্পের রেখার কথা শুনছি, এদেশের মানুষের মধ্যে তার চাইতে অনেক বড় বিভেদ রেখা দৃশ্যমান। সঙ্গীত মানুষে মানুষে বিভেদ দূর করতে পারে।
সভাপতির কথনের পরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অভিজ্ঞানপত্র বিতরণ করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে ছিল সেরা শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা। রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন দীপ্র নিশান্ত, নজরুলসঙ্গীত পরিবেশন করেন মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া, লোকসঙ্গীত পরিবেশন করেন মতিউর রহমান বকুল, দ্বৈত কন্ঠে রাগ হংসধ্বনি পরিবেশন করেন দিপু সমদ্দার ও লায়েকা বশীর, একক তবলাবাদন করেন অনন্য   ইগ্নেসিউস রোজারিও, মণিপুরী নৃত্য পরিবেশন করেন দীপান্বিতা আনজুম এবং ভরতনাট্যম্ পরিবেশন করেন রিতু পাল। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।