ভাষা-শহিদ দিবস ১৪৩২

ভাষা-শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ছায়ানট নিবেদন করে ভাষার গান ও কবিতা। ৮ ফাল্গুন ১৪৩২, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় “আমাদের চেতনার সৈকতে” সম্মেলক গানের মধ্য দিয়ে। এরপর কথা বলেন ছায়ানট সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী। ১০টি একক গান ও ২টি একক আবৃত্তির পর “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো” সম্মেলক গান ও জাতীয়সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।..

বিস্তারিত...

নৃত্য উৎসব ১৪৩২

২৪ মাঘ ১৪৩২, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো নৃত্য উৎসব ১৪৩২। সন্ধ্যা ৬টা ২৫-এ সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা সকলকে স্বাগত জানান। এরপর একে একে পরিবেশিত হয় মণিপুরি, ওড়িশি, মোহিনী আট্যম্‌, কথাকলি, ভরতনাট্যম্‌ ও কত্থক নৃত্য। একক, দ্বৈত ও সম্মেলক পরিবেশনায় ছিলেন আমন্ত্রিত শিল্পী-দল ও ছায়ানট।..

বিস্তারিত...

শ্রোতার আসর: মাঘ ১৪৩২

১৬ মাঘ ১৪৩২, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার, সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ছায়ানটের শ্রোতার আসর। ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের তিন তলায় রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে এবারের আসরে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রসঙ্গীত। শুরুতে ৩টি গান পরিবেশন করেন উর্মি রায় বর্ণা। এরপর ফারজানা আক্তার পপি ৬টি এবং শেষে এ টি এম জাহাঙ্গীর ৮টি গান পরিবেশন করেন। উপস্থিত সকলে জাতীয়সঙ্গীত গেয়ে আসরের সমাপ্তি হয়।..

বিস্তারিত...

শুদ্ধসঙ্গীত উৎসব ১৪৩২

২৫-২৬ পৌষ ১৪৩২, ৯-১০ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্র ও শনিবার ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো ছায়ানটের দুইদিনব্যাপী শুদ্ধসঙ্গীত উৎসব। শুক্রবার বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে জাতীয়সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে ছায়ানট মিলনায়তনে উৎসবের সূচনা হয়। এরপর কথা বলেন ছায়ানটের সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী। দুই দিনে তিন অধিবেশনে পরিবেশিত হয় শাস্ত্রীয় কণ্ঠসঙ্গীত ও যন্ত্রসঙ্গীত। প্রতিটি অধিবেশনে একটি করে বৃন্দ কণ্ঠসঙ্গীত পরিবেশনা ছিল। উৎসবে একক কণ্ঠসঙ্গীত পরিবেশন করেন ১৩ জন এবং দ্বৈত কণ্ঠসঙ্গীত পরিবেশনা ছিল ২টি। যন্ত্রসঙ্গীতে সেতার, তবলা, এস্রাজ, মোহনবীণা ও বাঁশিতে একক পরিবেশনা ছিল ৬টি এবং দ্বৈত তবলাবাদন ছিল ২টি। ঢাকার বাইরের শিল্পী ছিলেন ২ জন।.. 

বিস্তারিত...

বিজয় উৎসব ২০২৫

১ পৌষ ১৪৩২, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ধানমণ্ডিস্থ আবাহনী মাঠে অনুষ্ঠিত হলো ছায়ানটের বিজয় উৎসব ২০২৫। বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটে জাতীয়সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন ছায়ানটের সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী, দীপ্ত টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, ছায়ানটের সহ-সভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল ও সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা। এবারের আয়োজনে ছিল ৫টি সম্মেলক নৃত্যগীত, ২টি সম্মেলক গান। একক গান পরিবেশন করেন চন্দনা মজুমদার এবং আবৃত্তি পরিবেশন করেন জয়ন্ত রায়। জাতীয়সঙ্গীত গাইবার মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।..

বিস্তারিত...

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ছায়ানটের নিবেদন, ২০২৫

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, রবিবার ছায়ানট মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার একটু পরে শুরু হয় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ছায়ানটের নিবেদন। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সুমন মজুমদারের কণ্ঠে “মৃত্যু নাই নাই দুঃখ” গানের মধ্য দিয়ে। অনুষ্ঠানে কথা বলেন ছায়ানটের সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং অধ্যাপক অধ্যাপক মনসুর মূসা। কথনের ফাঁকে ফাঁকে গান পরিবেশন করেন অভয়া দত্ত, তাহমিদ ওয়াসিফ ঋভু এবং লাইসা আহমদ লিসা। এরপর বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল প্রযোজিত নাট্যাংশ 'যুদ্ধ এবং যুদ্ধ' পরিবেশিত হয়। সৈয়দ শামসুল হক রচিত মূল নাটক হতে নাট্যাংশ নির্মাণ করেছেন আসিফ মুনীর ও মিথুন মোস্তফা। “আমি মারের সাগর পাড়ি দেব” সম্মেলক গান ও জাতীয়সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে..

বিস্তারিত...

সঙ্গীত মানুষে মানুষে বিভেদ দূর করতে পারে

ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৮ নভেম্বর ২০২৫, শুক্রবার। সমাবর্তনে ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের ১৪২১ থেকে ১৪৩০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সমাপনী অভিজ্ঞানপত্র দেওয়া হয়। ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩১ জন সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন। সমাবর্তনের প্রধান অতিথি ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ফাহ্‌মিদা খাতুন। প্রধান অতিথিকে মঞ্চে নিয়ে আসেন সঙ্গীতবিদ্যায়তনের শুরু অর্থাৎ ১৯৬৩ সালে ভর্তি হয়ে ১৯৬৭ সালে উত্তীর্ণ দুই কৃতি শিক্ষার্থী সেলিনা মালেক চৌধুরী ও ইফ্‌ফাত আরা দেওয়ান। শিক্ষার্থীরা বাজাও তুমি কবি, নবীন আশা জাগল রে আজ ও এমন মানব জনম আর কি হবে এই তিনটি গেয়ে প্রধান অতিথিকে বরণ করে নেন।...

বিস্তারিত...

বর্ষবরণ ১৪৩২

১ বৈশাখ ১৪৩২, ১৪ এপ্রিল ২০২৫, সোমবার। ভোরের আলো ফুটতে ফুটতে ভৈরবীতে রাগালাপ দিয়ে ছায়ানটের ১৪৩২ বঙ্গাব্দবরণের সূচনা হলো। ছায়ানটের এবারের বার্তা, আমার মুক্তি আলোয় আলোয়। যথারীতি অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে নতুন আলো, প্রকৃতি এবং মানুষকে ভালোবাসবার গান, দেশপ্রেম-মানবপ্রেম আর আত্মবোধন-জাগরণের সুরবাণী দিয়ে। সব মিলিয়ে বাঙালি সমাজকে নিয়ে আলোর পথে মুক্তির পথযাত্রী হবার আহ্বান। এবারের অনুষ্ঠানসজ্জায় অন্তর্ভুক্ত ছিল ৯টি সম্মেলক ও ১২ টি একক গান এবং ৩টি পাঠ। সবমিলিয়ে দেড়শতাধিক শিল্পী এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন।..

বিস্তারিত...